PRICING BEST PRACTICES

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

প্রাইসিং বেস্ট প্র্যাকটিস

 দ্যা ফান্ডামেন্টাল অফ প্রাইসিং

স্টোর মালিকদের একটি কমন এপ্রোচ হচ্ছে তারা কম্পেটিটরদের নির্ধারিত দামের উপর নির্ভর করে তারা তাদের প্রোডাক্ট এর প্রাইসিং করে থাকে। এই স্ট্র্যাটিজি কারো ক্ষেত্রে কাজে আসে আবার কারো ক্ষেত্রে কাজে আসে না।  প্রাইসিং এর অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে, কাস্টমাররা আসলে ইচ্ছাকৃত ভাবে কতটুকু পে করতে চায় স্টোর মালিকরা সম্ভবত তাদের জিজ্ঞাসা করছেন না।  

এটা হয়তো আপনি না।

ম্যাক্সিমাম প্রফিটেবিলিটি এর জন্য স্ট্র্যাটিজিক্যাল প্রাইসকে বিবেচনা করতে হবে এবং প্রতিটি ফ্যাক্টরের একটি ব্রেকডাউন রয়েছে যা ফলো করা প্রয়োজন।

১. মার্কেট রিসার্চ

আপনার টার্গেট কাস্টমার সম্পর্কে জানার জন্য আরো সময় দিন।  তাদেরকে বোঝার মাধ্যমে আপনি  তাদের পারচেজ ডিসিশন সম্পর্কে বুঝতে পারবেন। ভ্যালুএবল ইনফরমেশনের জন্য আপনি লোকেশন, এইজ রেঞ্জ, হৰিজ, এভারেজ স্যালারী, হাউসহোল্ড ইনকাম, জেন্ডার ইত্যাদি সার্চ করতে পারেন। এই ডেটাগুলো আল্টিমেটলি আপনাকে হেল্প করবে এটা জানার জন্য যে কারা আপনার প্রোডাক্ট পারচেজ করবে।

এটি বিউটি ইন্ডাস্ট্রির একটি পেজ।  ২০১৫ সালে নিউইয়র্ক ডিপার্টমেন্ট অফ কনজিউমার অ্যাফেয়ার  এর একজন স্টুডেন্ট  “ক্র্যাডল টু ক্যানে: দ্যা কস্ট অফ বিং এ ফিমেল কনজিউমার ”রিভ্যালড হয়েছে যে পার্সোনাল এবং গ্রুমিং প্রোডাক্টগুলোর সাথে সর্বোচ্চ বৈষম্য থাকার পরও একই প্রোডাক্ট এর জন্য মহিলারা ধারাবাহিকভাবে পুরুষদের তুলনায় বেশি অর্থ প্রদান করে থাকে। 


টিপস: একটি মার্কেট রিসার্চ এজেন্সি আপনার প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, যদিও এর জন্য আপনার মার্কেটিং বাজেটের অনেকটা পোরশন ব্যয় করতে হয়। www.census.gov এ সরকারী মজুরি এবং কর্মসংস্থান পরিসংখ্যানের মতো সবার আগে পাবলিকলি এভেইলেবল ইনফরমেশন দিয়ে শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।

২. বাজেটিং এন্ড একাউন্টিং

আপনি কি আপনার রানিং বিজনেস এর ব্যয় জানেন? যখন আপনি প্রাইস সেট করবেন তখন আপনার ফার্স্ট গোল হচ্ছে এই এক্সপেন্স গুলো কভার করা :

  • ফুল -টাইম এমপ্লয়িদের স্যালারী 
  • কন্ট্রাক্টর এর জন্য আওয়ারলি মজুরি
  • প্রোডাক্ট কস্ট 
  • মার্কেটিং 
  • সফটওয়্যার

বাজেট এবং একাউন্টিং এ কিভাবে এপ্রোচ করবেন এই ব্যাপারে যদি আপনি নিশ্চিত না হন তাহলে সাহায্যের জন্য আপনি ইউজার ফ্রেন্ডলি একাউন্টিং সফটওয়্যার বা সিপিএ হায়ার করতে পারেন।

৩. রেভিনিউ গোল

ব্রেক ইভেন তৈরি করার জন্য আপনার বিসনেস এর কত টাকা প্রয়োজন। এখানে তার কিছু ফর্মুলা এবং ওয়াকথ্রু এর উদাহরণ খুঁজে পেতে পারেন। আপনার প্রোডাক্ট প্রাইসিং স্ট্র্যাটিজি এর জন্য আপনি বছর, কোয়াটার বা প্রতি মাসের জন্য একটি রেভিনিউ টার্গেট মেইনটেইন করতে পারেন।

৪.কম্পিটিটিভ এনালাইসিস

আমরা শুরু থেকে মেনশন করছি যে কম্পিটিশন প্রাইসিং কে মেইন ফোকাসে  রাখা উচিত না। আপনার ওভারঅল স্ট্রাটেজি অনুযায়ী এটি একটি ফ্যাক্টর যা কন্সিডারেশন ডিজার্ভ করে। 
আপনার কাছে কী ফ্রেইজ এর প্রোডাক্ট টার্গেটিং এর জন্য কম্পিটিটিভ এনালাইসিস করা, গুগল সার্চ করার মতো সহজ। তাহলে তাদের প্রাইসিং স্ট্রাটেজি গেস করার জন্য অর্গানিক লিস্টিং এবং স্পন্সরড উভয় দেখতে পারেন।  এডিশনালি আপনি গুগল কীওয়ার্ড প্ল্যানার  ইউজ করতে পারেন এবং এর মাধ্যমে আপনি সেখানে দেখতে পারবেন যে আপনার কম্পিটিটর কত পে করছে।

৫. প্ল্যানিং অ্যাহেড

আপনি যাই সেল করেন না কেন, প্রতিটি নতুন বিজনেস এর জন্য ভবিষ্যত নিয়ে প্ল্যানিং করা কিছুটা ডিফিকাল্ট। তবে ডিসরিগার্ড করার জন্য এটা খুব একটা ভালো এক্সকিউজ না। পরবর্তী কোয়ার্টার, বছর, এমনকি ৩-৫ বছরের জন্য ফিন্যান্সিয়াল প্রজেকশন রাখা আপনাকে মার্কেট গেইন এবং লস এর জন্য প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে। মনে রাখবেন, ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ হওয়ার সাথে সাথে আপনি অলওয়েজ আপনার প্রজেকশন পরিবর্তন করতে পারবেন।

 প্রাইসিং এর ৭ টি এপ্রোচ

সঠিক প্রাইসিং স্ট্রাটেজি অনেক কাস্টমারকে এট্রাক্ট করে থাকে, বড় অর্ডার এ উত্সাহিত করে এবং রিপিট পারচেজ তৈরী করতে আপনাকে সাহায্য করে থাকে। ৭টি কমন এপ্রোচ এর মধ্যে আপনার বিসনেস এর জন্য কোনটি বেস্ট তা নির্ধারণ করতে এই গাইডটি ইউজ করতে পারেন। 

টিপস:

আপনার ইউনিক বিজনেস গোলকে  এচিভ করার জন্য এই স্ট্র্যাটিজি গুলোকে কম্বাইন বা এডজাস্ট করতে পারেন।

১. কীস্টোন প্রাইসিং

কীস্টোন প্রাইসিং হচ্ছে সবচেয়ে কমন এবং সহজ প্রাইসিং স্ট্র্যাটিজি , যার ফাইনাল সেলিং প্রাইস আইটেম কস্ট হচ্ছে ২x। 

যখনি পসিবল হয় তখনি শুরু করার জন্য কীস্টোন প্রাইসিং বেস্ট একটা প্লেস। তবে এটি শুধুমাত্র আপনার প্রাইসিং স্ট্রাটেজি লো রাখার সম্ভবনা দেয়। জেনারেল মার্কেট রেট এর তুলনায় হাই প্রোডাকশন রেট এর কারণে আজকাল অনেক প্রোডাক্ট কীস্টোনে সেট করা যায় না।  

আপনার বিজনেস স্পেকট্রাম এর প্রতিটি ক্ষেত্রে  যদি প্রতিযোগিতা করে ডিসকাউন্ট কম্পিটিটর থেকে হাই -ইণ্ড লাক্সারি  ব্র্যান্ড গুলো তাহলে অন্য প্রাইসিং স্ট্র্যাটিজি রাখতে পারেন। কীস্টোন প্রাইসিং করা প্রায় লসের নিশ্চয়তা দেয়।

সামারি

প্রাইসিং এর সিম্পল এবং স্ট্রেইটফরওয়ার্ড এপ্রোচ হচ্ছে কীস্টোন প্রাইসিং।  এটি সাপ্লাই এবং ডিমান্ড এর  জন্য অ্যাকাউন্ট থাকে না, মাক্সিমাইজ রেভিনিউ এর জন্য এটি  একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

২. মাল্টিপল ইউনিট প্রাইসিং

দুইটি বা তার বেশি একিরকম প্রোডাক্ট পারচেজ করলে এবং মাল্টিপল ইউনিট প্রাইসিং, মাল্টিপল প্রাইসিং বা বান্ডিল প্রাইসিং অফার  এর ক্ষেত্রে শপাররা ইউনিট প্রতি কম প্রাইস নিয়ে থাকে। ক্লিয়ারিং এক্সসেস ইনভেন্টরি অথবা নিউ প্রোডাক্ট ইন্ট্রোডিউসিং এর জন্য মাল্টিপল প্রাইসিং বিশেষভাবে কাজে আসে। এই স্ট্র্যাটিজিটি অল্প কিছু দিনের জন্য দিতে পারেন অন্যথায় আপনার কাস্টমার ভাবতে পারে যে আপনার রেগুলার আইটেম এর প্রাইস অনেক বেশি এবং পরিশেষে আপনি তা ডিসকাউন্ট এ  দিচ্ছেন। 

সামারি

মাল্টিপল প্রাইসিং এর পারফেক্ট টাইম হলো সিজনের শেষের দিকে যখন প্রোডাক্ট খুব বেশি সেল হয়না অথবা নিউ প্রোডাক্ট ইন্ট্রোডিউসিং করতে চান যা কাস্টমার ট্রাই করতে কিছুটা হেসিটেন্ট ফীল করবে। 

টিপস: এই স্ট্রাটেজিগুলো ফলো করার সময় আপনার রাষ্ট্রের বিধিবিধানগুলি পড়ে  নিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, কিছু রাষ্ট্রে আপনাকে ব্যয়বহুল প্রোডাক্ট  বিক্রয় করতে বা ফ্রি প্রোডাক্ট দেওয়ার অনুমতি দেয় না। 

৩. ডিসকাউন্ট প্রাইসিং

ডিসকাউন্ট প্রাইসিং এ সেল ইভেন্ট বা স্পেশাল অফারের মাধ্যমে কাস্টমারের প্রাইস রিডাকশন করে থাকে। পারচেজ এ ইনকারেজ  করার জন্য একটি প্রোডাক্টের প্রাইস কমিয়ে দেয়া এটা প্রতিটি সেল এর ক্ষেত্রে নিযুক্ত একটি প্রচলিত কৌশল, তবে কেবলমাত্র আপনার লেটেস্ট প্রাইস ড্রপ কে সিম্পলি এনাউন্সিং করা যথেষ্ট নাও হতে পারে। এমনকি যদি আপনার গ্রাহকরা ডিসকাউন্ট প্রাইস কে প্রোডাক্টের রিয়েল ভ্যালু  হিসাবে ধরে নেয় তবে এটির বিরূপ প্রভাবও পড়তে পারে। ইফেক্টিভ ডিসকাউন্টিং এই আইডিয়াটি  ডিসপেল করে এবং একটি সেন্স অফ আর্জেন্সি তৈরী করে থাকে। 

ডিসকাউন্ট  অফারগুলো মূলত ওয়ান-সাইজ-ফিট-অল এমন হয় না। আপনার প্রোডাক্টিকে আপনার স্ট্র্যাটিজি এর মাধ্যমে ইনফ্লুয়েন্স করতে পারেন, স্পেসিফিক্যালি, মার্কেটের সাথে রিলেভেন্স এবং এর সেল হিস্ট্রি পরিমাপ করে। 

সামারি

নতুন কাস্টমারদের এট্রাক্ট করার জন্য ইজি ওয়ে হচ্ছে ডিসকাউন্ট প্রাইসিং, আর এই ডিসকাউন্ট প্রাইসিং সবচেয়ে ভালো কাজ করে স্পেশাল ইভেন্ট বা হলিডেতে। 

টিপস: প্রতিটি ডিসকাউন্ট এর জন্য একটি রিজন প্রোভাইড করুন।  অন্যথায়, কাস্টমার আপনার ব্র্যান্ড এবং প্রোডাক্ট ভ্যালু লেস ভাবতে পারে।

৪. লস লিডার

আরও লাভজনক প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস এর মাধ্যমে সেলকে স্টিমুলেট করার জন্য লস লিডার মার্কেট কস্ট এর চেয়ে নিচে প্রোডাক্ট প্রাইস সেট করে। ট্রাফিক জেনারেশন এবং প্রোডাক্ট ইন্ট্রোডাকশন এর জন্য লস লিডার স্ট্র্যাটিজি অনেক ভালো কাজ করে। উদাহরণ স্বরূপ:

১. ম্যাগাজিন পাবলিশার বিনা খরচে প্রথম কয়েকটি সংস্করণ সরবরাহ করে আরও লং টার্ম সাবস্ক্রাইবারদের এট্রাক্ট করতে পারে। 

২. ক্যাবল সার্ভিস প্রোভাইডার তার নিউ অ্যানুয়াল কন্ট্রাক্ট সাইনআপগুলোতে কম্পিটিটিভ ফিচার রিক্রুট্ করে কম প্রাইস অফার করতে পারেন। 

৩. হার্ডওয়্যার স্টোর এর কস্ট বিলোর  জন্য প্রায়ই বড় টুলস গুলো সেল করে থাকে এবং তারা এক্সপেক্ট করে যে কাস্টমার নিউ টুল গুলোর সাথে একসেসোরিজ ও কিনবে।  একসেসোরিজ  আইটেম গুলো অনেক হাই প্রফিট মার্জিন হয়ে থাকে এবং প্রায়ই ইম্পালস ব্যায় হয়। 

লস লিডার প্রাইসিং এর অতীতের সাফল্যের ফলে অনেক রাষ্টে এমন আইন পাস করেছে যাতে বিলো কস্ট এ প্রোডাক্ট সেল করা লিমিট করা হয়েছে এবং তা স্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে। 

কারও কারও কাছে এই লিমিটেশন গুলো আসলে ব্লেসিং হতে পারে।কাস্টমার শুধুমাত্র ওই প্রোডাক্ট গুলো পারচেজ করবে যা তাদের প্রাইস এর কাছাকাছি বা এক্যুইজিশন কস্ট এর নিচে এইক্ষেত্রে  লস লিডার স্ট্রাটেজি ব্যাকফায়ার হতে পারে। এই ধরনের পারচেজ প্যাটার্ন গুলো কার্যকরভাবে লস লিডার প্রাইসিং স্ট্র্যাটিজি গুলোকে ব্যর্থ করে দেয়।

নতুন কাস্টমার এবং মার্কেটিং এফোর্ট এর জন্য লস লিডার স্ট্র্যাটিজি অনেক ভালো কাজ করে। তবে আপনার লস লিডার প্রোডাক্টগুলো এবং অন্যান্য অফার গুলো প্রোমোট করতে কেয়ারফুল থাকতে হবে যাতে করে আপনার  লস টা আসলে লাভে পরিনিত হয় । এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূণ হচ্ছে লস লিডার এর ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার রাষ্টের আইন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

৫. সাইকোলজিক্যাল প্রাইসিং

সাইকোলজিক্যাল প্রাইসিং কনসিউমার এর কাছে প্রাইস কে অনেক এট্রাক্টিভ করে তুলতে হিউমান সাইকোলজির নেচার এর উপর অনেকটা  নির্ভর করে। বিভিন্ন ধরণের সাইকোলজিক্যাল প্রাইসিং রয়েছে :অড -ইভেন প্রাইসিং ,প্রেস্টিজ প্রাইসিং, এঙ্কর প্রাইসিং এবং প্রাইস লাইন।

১. অড -ইভেন প্রাইসিংঃ অড নাম্বারের প্রাইস সেটিং এর প্র্যাক্টিস করার জন্য নিচে একটি ইভেন প্রাইস দেয়া হলো। 

উদাহরণস্বরূপ, একটি প্রোডাক্ট এর প্রাইস ২০.০০ ইভেন প্রাইস রাখার চেয়ে ১৯.৯৯ ডলার হিসেবে এ মার্কিং করা ভাল। কারণ এই স্ট্র্যাটিজি প্রাইসটিকে অ্যাকচুয়াল প্রাইস এর তুলনায় অনেক কম দেখায়।

২. প্রেস্টিজ প্রাইসিংঃ অপজিট ইন্ট থেকে, সেন্স অফ গ্রেটার ভ্যালু তৈরি করার জন্য প্রাইস গুলোকে ইনফ্লাটেড প্রাইস করা হয়।  

উদাহরণস্বরূপ, ”একটি লিমিটেড এডিশন ” ক্যানভাস প্রিন্ট এটি একটি বেটার এবং রেয়ার প্রোডাক্ট তাই এই প্রোডাক্ট গুলোর  প্রাইস ৩০ ডলারের পরিবর্তে ৭০ ডলার হতে পারে। 

৩. এঙ্কর প্রাইসিংঃ এঙ্করিং মানে কনজিউমার এর ঐ সকল টেন্ডেন্সি কে বোঝায় যখন তারা প্রথম তথ্যের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের করে থাকে। পটেনশিয়াল কাস্টমারের জন্য এপলাই করতে প্রিমিয়াম প্রোডাক্ট, স্ট্যান্ডার্ড অপশন সার্ভিস গুলো কাছাকাছি রাখা, এবং কাস্টমারদের ভ্যালু  সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা তৈরী করতে সাহায্য করা।  তারা বার্গেইন কে লেস দেন এক্সপেনসিভ অপশন হিসেবে তুলনা করলে বিকল্পটি বুঝতে পারবে।

৪. প্রাইস লাইনিংঃ  একটি বিস্তৃত প্রোডাক্ট  লাইন যুক্ত বিজনেস কে  আর ও উপযুক্ত করার জন্য , এই ট্যাকটিক ইনভল্ভ করে একটি পার্টিকুলার লাইন এর জন্য প্রাইস রেঞ্জ তৈরী করতে পারেন। উদাহরণ স্বরূপ, ব্র্যান্ডলেস ডট কম তাদের সকল আইটেম এর প্রাইস $৩ করেছে এবং তারা তাদের পুরো বিজনেসকে এই স্ট্র্যাটিজি উপর রেখেছে।  

সামারি

সাইকোলজিক্যাল প্রাইসিংবিজনেস ওনারদের অ্যাকচুয়াল  প্রোডাক্ট  চেঞ্জ  না করে কিভাবে  কনসিউমার একটি প্রোডাক্ট ভ্যালু বুঝতে পারে তা উপলব্ধি করে থাকে। এটি কনসিউমারের  ক্রয়ের সিদ্ধান্তগুলিকে প্রভাবিত করার জন্য একটি কস্ট- এফেক্টিভ ওয়ে  তৈরী করে দেয়।

টিপসঃ রিসার্চ এ দেখা যায় যে প্রাইস এন্ডিং যদি ”৯” এর মধ্যে হয় তাহলে সেলস ড্রাইভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

৬. বিলো কম্পিটিশন

এই প্রাইসিং স্ট্র্যাটিজি টিতে খুচরা বিক্রেতাদের প্রতিযোগিতার চেয়ে লোয়ার প্রাইস প্রতিযোগী প্রোডাক্ট লিস্ট করা প্রয়োজন।  

প্রতিযোগিতার নিচে প্রাইসিং করা বিজনেস এ মার্কেটিং নিশ তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে, লো প্রাইসিং এর জন্য প্রতিটি কাস্টমার আবেদন করতে পছন্দ করে। যাইহোক, লোয়ার প্রাইস গ্যারান্টি দিয়ে এবং সেই কারণে প্রফিট মার্জিন লোয়ার করে, আপনি যতক্ষণ না একটি লার্জ সেল ভলিউম বুঝতে পারবেন ততক্ষণ আপনি এই স্ট্র্যাটিজিতে উল্লেখযোগ্য রিটার্ন আনতে পারবেন না। এডিশনালি ওভারহেড কস্ট  সিকিউর হওয়া সত্ত্বেও, আপনি আপনার প্রতিযোগীদের ক্রিয়াকলাপের অধীনে রয়েছেন, অর্থাৎ প্রাইস ওয়ার। 

লো কম্পিটিশন প্রাইসিং এর  সবচেয়ে খারাপ ফলাফলগুলির মধ্যে একটি হ’ল “প্রাইস ওয়ার”, যেখানে প্রতিযোগী ব্যবসায়ীরা কস্ট কাট করার জন্য রেস করে  এবং আল্টিমেটলি তাদের বটম লাইন ও  তাদের ব্র্যান্ডের পার্সেপশনে আঘাত করে। ফাস্ট এবং ইজি ম্যানুফ্যাকচারিং এর জন্য কিছু কোম্পানিজ আছে যারা তাদের প্রোডাক্ট গুলোকে  রিডিজাইনিং এর মাধ্যমে  বিলোও -কম্পিটিশন প্রাইসিং মেইনটেইন করে এবং এই প্রাইস ওয়ার রিসল্ভ করে থাকে।

সামারি 

একটি কমন প্রাইসিং স্ট্র্যাটিজি হলো বিলোও কম্পিটিশন প্রাইসিং করা কারণ এটি সহজ ,তবে এটি আপনার পক্ষে বিপজ্জনকও যদি আপনার বিজনেস ফিন্যান্সিয়াল সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকে।

৭. এবোভ কম্পিটিশন

খুচরা বিক্রেতারা যখন তাদের প্রোডাক্ট, সার্ভিস, রেপুটেশন, এবং নন প্রাইস এলিমেন্ট গুলোতে ক্লিয়ার অ্যাডভান্টেজ পান তখন তা হয় এবোভ কম্পিটিশন।

এবোভ কম্পিটিশনে কোনও পরিমাণ চার্জ দেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্র্যান্ড এবং প্রোডাক্টগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, অ্যাপল ক্রমাগতভাবে কাস্টমারদের আরও বেশি চার্জ করতে পারে কারণ তারা হাই -কোয়ালিটি মেকার হিসাবে রেপুটেশন স্টাব্লিশড করেছে, ইউনিক বা ইনোভেটিভ কিছু অফার মার্কেট দেখে এবং তা নিশ্চিত করে থাকে। 

সামারি

যদি আপনার প্রোডাক্ট গুলো প্রতিযোগিতার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দামের হয় তবে নিশ্চয়ই একটি ভালো কারণ রয়েছে।

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

SUPERCHARGE YOUR SHOPIFY STORE

আপনার শপিফাই স্টোরটিকে সুপারচার্জ করুন গিয়ারলঞ্চ অ্যাপ্ এড করুন এবং একটি ই-কমার্স বিজনেস পরিচালনার জন্য আপনার প্রয়োজনীয় সব কিছুর অ্যাক্সেস দিন  — হাই কোয়ালিটি পিওডি

Baby Onesie

বেবি ওয়ানজি বেস কস্ট     প্রোডাক্ট ইনফরমেশন      আর্ট ওয়ার্ক এন্ড মকআপ     সাইজ গাইড  বেস কস্ট Tier Monthly Unit sale Price