ECOMMERCE MARKETING: THE ULTIMATE GUIDE

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

ই-কমার্স মার্কেটিং – দ্য আলটিমেট গাইড

একটি ইকমার্স বিজনেস শুরু করা অবশ্যই এক্সসাইটিং কিন্তু যখন অনেক বড় বিজনেসের মালিকরা যখন বড় মার্কেটিং স্ট্রাটির্জি নিয়ে এগোতে যান তখন বেশ হিমশিম খেয়ে যান। একটি গুড আইডিয়া থেকে একটি ভালো বিজনেস গ্রো করার পথে যেতে অবশ্যই সময় ,ধৈয এবং মার্কেটিং এর প্রয়োজন। 

আমরা দেখেছি অনেক বড় বড় বিজনেস গুলো খুব দারুনভাবে শুরু করে ১ বছর এর মধ্যেই গিভ -আপ করে ফেলেন , কিন্তু কেন এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমরা বেশ কিছু মিসিং পিস খুঁজে পেয়েছি। 

আপনার কাছে প্রপার মার্কেটিং স্ট্যাস্টির্জি নেই। 

এই কারণেই আমরা এই আলটিমেট গাইডটি তৈরি করেছি বেসিক অফ মার্কেটিং এর উপর বেস করে এবং কীভাবে আপনি তা প্রয়োগ করবেন আপনার ইকমার্স মার্কেটিং স্ট্রাটির্জি তৈরিতে। ধরুন আপনি মাত্রই শুরু করছেন বা কিছুদিনের জন্য বিজনেস এর সাথে কানেক্টেড ছিলেন না অথবা আপনি আপনার মার্কেটিং দক্ষতা বাড়াতে চান বা তাহলে অবশ্যই এই গাইডটি আপনার জন্য !

মার্কেটিং স্ট্যাস্টির্জি কি ?

একটি মার্কেটিং স্ট্যাস্টির্জি হলো এমন একটি প্রপার গাইড যা আপনাকে আপনার বিজনেসকে একটি যুগোপযোগী প্ল্যান , তার প্রায়োরিটি এবং তা কার্যকর করতে সহযোগিতা করবে যা আপনার কাস্টমারদের কাছে প্রফিটেবল অবস্থায় পৌঁছে দেবে। যদিও অনেক বিজনেস কোনো প্রকার মার্কেটিং স্ট্যাস্টির্জি ডকুমেন্টেশন ছাড়াই এক্সিকিউট করছে কিন্তু আমরা আপনাকে এই বিষয়টি কনফার্ম করছি যে মোস্ট সাকসেসফুল সেলাররা সময় নেন তাদের গোল ঠিক করতে অথবা বিভিন্ন মেথডে স্ট্যাস্টির্জি ডকুমেন্টে ব্যবহার করেন।

কোশিডিউল (CoSchedule) এর একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, যারা মার্কেটিং স্ট্যাস্টির্জি যুক্ত ডকুমেন্ট ব্যবহার করে স্টার্ট করে তাদের সফলতার হার ৩১৩ শতাংশ। আপনার স্ট্যাস্টির্জি টি ডকুমেন্ট করে শুরু করা মানে আপনি আপনার একটি গোল সেট করেছেন এবং সেইম রিপোর্ট থেকে জানা যায় লক্ষ্য নির্ধারণ করে শুরু করা মার্কেটাররা সফল হওয়ার রেট প্রায় ৩১৬ শতাংশ। 

এই বিষয়টি কিন্তু আপনার বিজনেস এর জন্যে বিশাল একটি ব্যাপার। 

একটি সুচিন্তিত মার্কেটিং স্ট্যাস্টির্জি আপনাকে আপনার অন ট্র্যাক এ থাকতে সহযোগিতা করবে, আপনাকে জানতে সহযোগিতা করবে কখন আপনার মার্কেটিং স্ট্যাস্টির্জিতে চেঞ্জ আনা প্রয়োজন, এমনকি সামনের সময়গুলোতে পরর্বতী মাসগুলোতে কি করা যায় তার ব্রেনস্ট্রোমিং আইডিয়া পেতে সহযোগিতা করবে। একবার যদি আপনার আইডিয়া নিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন বা এটি নিয়ে মার্কেটে রান করা শুরু করতে পারেন, আপনার প্রতিটি অডিয়েন্স রেভিনিউ প্লাটফর্ম এ আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। 

স্টেপ-১ : সেট স্মার্ট গোল 

স্টেপ- ২ :  আপনার টার্গেট অডিয়েন্স খুঁজে বের করুন। 

স্টেপ-৩ : বায়ার পার্সোনা তৈরি করুন 

স্টেপ-৪ : আপনার ইউনিক ব্র্যান্ড ভয়েস ডিফাইন করুন 

স্টেপ-৫ : মার্কেটিং ট্যাক্টিক্স তৈরি করুন 

স্টেপ-৬ : মার্কেটিং বাজেট তৈরি করুন

স্টেপ-৭ :  মার্কেটিং টাইমলাইন তৈরি করুন

স্টেপ-৮ : আপনার মার্কেটিং আরওআই (ROI) মাত্রা ঠিক করুন।

স্টেপ ১ঃ সেট স্মার্ট গোল

সাকসেসফুল মার্কেটিং লক্ষ্যের চারদিকে ঘোরে।

আপনার বিজনেস বেশ ভালোভাবে রান করছে কিনা বা আপনি আপনার এচিভমেন্ট এর দিকে আগাচ্ছে কিনা তা বোঝার জন্যে বেস্ট ওয়ে হচ্ছে যখন আপনি আপনার গোল পিরিয়ডক্যালী রিভিউয়ের মাধ্যমে ডিসকভার করবেন যে কী কাজ করছে ও কী কাজ করছে না। যখন আপনি আপনার অবজেক্টিভ সেট করছেন, তখন একটি রোডম্যাপ ও তৈরি করে ফেলতে পারেন  যাতে আপনি ট্র্যাক করতে পারেন কিভাবে আপনি আপনার গোলে পৌছাতে পারেন। 

মার্কেটিং এর ভিতর, গোল সেট করার বেস্ট ওয়ে হল ফ্রেমওয়ার্ক ইউজ করা। স্মার্ট বলতে আসলে আমরা যা বোঝাতে চেয়েছি, আপনার গোলটা হতে হবে অবশ্যই স্পেসিপিক,মেজারেবল,এচিভএবল, রিলেভেন্ট এবং টাইম বাউন্ড।

স্পেসিপিক

আপনার বিজনেস এর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব স্পষ্ট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। “আমি একটি ইকমার্স বিজনেস শুরু করতে চাই” এবং “আমি মাসে ৩০ টি-শার্ট বিক্রি করতে চাই” এটিই হচ্ছে এর মধ্যে পার্থক্য। আপনি যখন খুব সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, তখন আপনি তা এচিভ করার জন্যে যা প্রয়োজন তাই করতে চান।

আপনি যখন আপনার গোলটি নিয়ে চিন্তা শুরু করছেন তখন এটি ঠিক করুন আপনি কাকে ইনক্লুড করতে চান যে আপনাকে হেল্প করবে এমন, আপনি একোমপ্লিশ করতে কী চান, কখন আপনি গোলটিকে ট্যাকেল করতে চান এবং কেন এটি আপনার গোলগুলোর মধ্যে একটি। আপনার লক্ষ্যের প্রতিটি বিষয় নিয়ে স্পেসিপিক ভাবে ভাবুন এতে করে আপনার খুব হেল্প হবে আপনার গোল সেটিং এফোর্ট আরো স্পেসিফিক করতে।

মেজারেবল

আপনার কাজের অগ্রগতি ফলোআপ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ, তবে আপনি কীভাবে বুঝবেন যে আপনি সফল হচ্ছেন ? আপনার বিজনেস এর মাইলফলক সেট করা আপনাকে তুলনা করতে হেল্প করবে যে , আপনি কোথা থেকে শুরু করেছিলেন এবং বর্তমানে কোথায় আছেন। আপনি যে ওয়ে তে আগাচ্ছেন,কতটুকু এচিভ করছেন এটার সফলতাটুকুও জানাও হবে আপনার জন্যে অনেক আনন্দের।

এটেইনবল

আপনি যখন আপনার বিজনেস এর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করছেন তখন এই বিষয়টিও ফ্রেম করা প্রয়োজন যে কোনো সময়ে আপনি কতটুকু গ্রোথ এচিভ করতে চান। এটি আপনাকে ফোকাস রাখতে সহায়তা করবে এবং এমন গোল নিতে অনুৎসাহিত করবে যেই টার্গেট ফিলাপ করতে আপনার কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। 

একটি অনলাইন স্টোরের জন্যে এই টার্গেট তা রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি ৩০ দিনের মধ্যে আপনি আপনার ফার্স্ট সেল নিয়ে আসবেন। একটা নতুন অনলাইন ব্র্যান্ড এর জন্যে আপনি আশা করতে পারেননা যে, আপনি প্রথম ৩০ দিনের মধ্যে হাজার হাজার আইটেম সেল করে ফেলবেন যেখানে আপনি এখনো কোনো প্রতিষ্টিত ব্র্যান্ড নাহ বা আপনি আপনার অডিয়েন্স এর জন্যে চাহিদা অনুযায়ী প্রিন্টও করতে পারছেন না, তখন এটি ভাবাও অযৌক্তিক।

রিলেভেন্ট

আপনার প্রতিটি লক্ষ্যকে আপনার কোম্পানির মানদন্ড দিয়ে বিবেচনা করুন এবং সেটাকে দীর্ঘমেয়াদি করার চেষ্টা করুন। 

নিজেকে প্রশ্ন করুনঃ

  • কেন এই লক্ষ্য আপনার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ?
  • এটি কীভাবে আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী বিজনেস লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে?
  • কীভাবে এটি ওভারঅল বিজনেসে এর ক্ষেত্রে অবদান রাখবে?
  • এটি কীভাবে আমাদের অডিয়েন্সদের হেল্প করবে?

টাইম বাউন্ড

আপনি যখন নতুন বিজনেস শুরু করতে বেশ সময় দিচ্ছেন তখন লক্ষ্য হারানোটা স্বাভাবিক ব্যাপার তাই গোল তৈরি করার সময় অবশ্যই কিছু টাইম সেনসেটিভ কম্পোনেন্ট অ্যাড করবেন। শর্ট-টার্ম গোল এবং লং টাইম গোল দুটোই নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে আপনার বিজনেস ম্যানেজ করতে হবে তা শিখতে আপনার সময়ের মধ্যে সামঞ্জস্য করার প্রয়োজন হতেই পারে তবে এই বিষয়টি আপনাকে একটি স্টার্টিং প্লেসে নিয়ে যায় এবং আপনার প্রগ্রেসের জন্য একটি ট্র্যাক নিয়ে আসা হয়।

স্মার্ট লক্ষ্য নির্ধারনের সময় এবং প্রাকটিস দুটোই লাগে তবে আপনার সফলতা আপনার গোল সেট করার বা পরিকল্পনা করার সময় নেওয়ার উপর নির্ভর করে।

স্টেপ – ০২ : আপনার টার্গেট অডিয়েন্স খুঁজে বের করুন

একটি গ্রেট আইডিয়া এবং গোল সেট করা আপনার মার্কেটিং স্ট্রেটিজির প্রথম পার্ট। পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার আগে আপনাকে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স সম্পর্কে জানতে হবে এবং বুঝতে হবে। 

আপনার টার্গেট অডিয়েন্স আপনার জন্যেআইডিয়াল কাস্টমার।  ইনিই সেই ব্যক্তি যাকে আপনি মেসেজিং বা প্রোডাক্ট দেখিয়ে এট্রাক্ট করতে চাচ্ছেন !

শুরুর আগে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স সেট করাটা কিছুটা কঠিন হতে পারে এবং আস্তে আস্তে আপনি আপনার ইফেক্টিভ মার্কেটিং টার্গেট এর মাধ্যমে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স রিফাইন করে নিতে পারবেন। ধরেন আপনি আপনার টার্গেট অডিয়েন্স নিয়ে ভাবছেন তার আগে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করুন –

  • আপনার গ্রাহকরা কেন আপনার প্রোডাক্টগুলো নিতে আগ্রহী দেখাবে?
  • কেন তারা আপনাকে তাদের প্রতিযোগী হিসাবে বেছে নেবে?
  • আপনার প্রোডাক্ট গুলো কীভাবে আপনার অডিয়েন্সকে সার্ভ করবে?
  • তারা অনলাইনে কী সার্চ করছে যা তাদের আপনার দিকে নিয়ে আসবে?

নিজেকে প্রশ্ন করুন এবং বুঝতে চেষ্টা করুন কোন অডিয়েন্সটা আপনার জন্যেই এবং আপনি তার জন্যে আপনার সকল মার্কেটিং এফোর্টস দিতে চাচ্ছেন। 

আপনি যখন মনে করছেন আপনার অডিয়েন্স কারা, সে সম্পর্কে আপনার একটি খুব ভালো আইডিয়া হয়ে গিয়েছে। তাহলে এখনই সময় তাদের জন্যে আপনার সময় ইনভেস্ট করার। সেটা হতে পারে এরকম-

{Your business name} creates content to attract {target audience} so they can {desired outcome} better.

For example, your statement might be:

“Tshirt Company creates content to attract Tshirt lovers everywhere so they can rock their favorite style better than ever!”

আপনার অনলাইন স্টোর তৈরি করতে এবং মার্কেটিং ক্যাম্পেইন প্রস্তুত করতে এই ফ্রেমওয়ার্ক টি আপনাকে হেল্প করবে বেশ। আপনাকে জানতে হবে আপনি কাকে এট্রাক্ট করতে চাচ্ছেন কারণ আপনার প্রোডাক্টই আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি।

স্টেপ-৩ : বায়ার পার্সোনা তৈরি করুন

একটি পূর্ণাঙ্গ বায়ার পারসোনা তৈরি করাটা হবে টার্গেট অডিয়েন্স সেট করা এবং বোঝার পরবর্তী ধাপ। টার্গেট অডিয়েন্স স্টেটমেন্ট তৈরি করার পরে ,এখনই সময় আপনার বায়ার পারসোনার ডিটেলস ডকুমেন্টস করার। এই ডাটাবেস টিতে তাদের সব কিছু থাকবে যেমন ,তাদের বয়স,জেন্ডার এবং তারা কেন এই সমাধানটিই খুঁজছেন বা এই প্রোডাক্টই সার্চ করছেন।

আপনার বায়ার পারসোনা তৈরি করতে নিচের ইনফরমেশন গুলো ইনক্লুড করতে পারেন-

বেসিকস:

  • পার্সোনার নাম
  • জব টাইটেল 
  • জব রেস্পন্সিবিলিটিজ 
  • জেন্ডার 
  • বয়স
  • ফ্যামিলি
  • লোকেশন 
  • কমিউনিকেশন প্রেফারেন্স

ইমোশন :

  • তারা কেন আপনার প্রোডাক্টগুলো অনুসন্ধান করছে?
  • কেন তারা আপনাকেই বেছে নেবে?
  • আপনার বিজনেস থেকে তারা কী # 1 বেনিফিট পাচ্ছে ?
  • তাদের পেইন পয়েন্টস টা কি?
  • তাদের লক্ষ্য কি?
  • এই কাষ্টমেরকে কী অনুপ্রাণিত করে?
  • তাদের কী কী চ্যালেঞ্জ আছে?

এই সমস্ত প্রশ্নের যথাসম্ভব বিস্তারিত ভাবে উত্তর খুঁজে বের করা আপনাকে নিখুঁত ভাবে  মার্কেটিং ম্যাসেজগুলো তৈরি করতে সহায়তা করবে কারণ আপনি তখন জানেন যে আপনার অডিয়েন্স কারা এবং তাদের কী প্রয়োজন? এছাড়াও আপনি তাদেরলে কীভাবে সার্ভ করতে পারেন সেটা ভালো উপায়ে আইডেন্টিফাই করতে আপনাকে সাহায্য করবে।

আপনি যদি একদম নতুন হয়ে থাকেন তবে এই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাটা শুরুতে কঠিন হতে পারে। তবে আপনি এমন একজন কে খুঁজে বের করুন যিনি আপনার বায়ার পার্সোনা হন এবং তাদেরকে সবগুলো প্রশ্ন করুন।

একটি সার্ভে লঞ্চ করুন

যদি ইতিমধ্যে আপনার কিছু অডিয়েন্স থাকে,তাহলে সার্ভে মানকির Survey Monkey মতো ফ্রি টুলস ইউজ করে একটি সার্ভে করতেই পারেন,

নিচের প্রশ্নগুলো বিবেচনা করতে পারেন :

  • আপনি কেন এই স্টোর থেকে (আপনার বিজনেস এর নাম) কিছু কিনবেন ?
  • আপনি কিভাবে অন্যকারো কাছে শর্টলি আমাদের প্রোডাক্ট ব্রিফ করবেন?
  • আপনি কেন অন্য স্টোর বাদ দিয়ে (আপনার বিজনেস এর নাম) এই স্টোর চুজ করবেন ?
  • আপনি আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আসলে কি পছন্দ করেন?
  • আপনি কীভাবে আমাদের স্টোর খুঁজে পেলেন ?
  • অনলাইন স্টোরগুলোর সাথে আপনি কীভাবে যোগাযোগ করতে পছন্দ করেন?

কাস্টমাররা ফিডব্যাক দিতে খুব পছন্দ করেন এবং আপনাকে হেল্প করতেও। 

কিছুটা বাড়তি সুবিধার জন্যে,আপনি যখন সার্ভে করছেন তখন আপনার কাস্টমারদের নেক্সট অর্ডার এ তাদের ডিসকাউন্ট বা ইন্সেন্টিভ অফার করুন এতে করে সার্ভে কমপ্লিট করতে আপনারও সুবিধা হবে।

স্টেপ-৪ : আপনার ইউনিক ব্র্যান্ড ভয়েস ডিফাইন করুন

আপনি এখন যানেন যে আপনি কার সাথে কথা বলছেন বা বলবেন, তাহলে আপনার এখনি সেট করে ফেলা উচিৎ যে আপনি কিভাবে তাদের সাথে কথা বলবেন। 

আপনার ব্র্যান্ড ভয়েস সেট করা আপনার মার্কেটিং প্ল্যান এর অন্যতম একটি ইলিমেন্ট হওয়া উচিৎ কিন্তু প্রায়ই এই বিষয়টি আমরা উপেক্ষা করে থাকি। আপনার ব্র্যান্ড ভয়েস হলো আপনার কোম্পানির পার্সোনালিটি এবং ইমোশন যা আপনি কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে ইউজ করছেন। একটি বিষয় খেয়াল করবেন যে, বড় প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোর এই বিষয়ে একটা সুবিশাল ধারণা আছে। 

আপনার কোম্পানির একটি ব্র্যান্ড ভয়েস ইস্টাব্লিশড করা খুবই প্রয়োজন এবং আপনার কমিউনিকেশন স্ট্রং করা যা আপনার গ্রাহকদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি এমন একটি ব্র্যান্ড তৈরি করবেন যা কাউন্টেবল এবং অডিয়েন্স পছন্দ করে এমন কোয়ালিটিফুল প্রোডাক্ট এনসিউর করে।

আপনার ব্র্যান্ড ভয়েস ডেভেলপ করার অন্যতম একটি বিষয় হচ্ছে টোন এবং ভয়েস এর মধ্যে পার্থক্য বোঝা। আপনি যখন টোন এর বিষয়টি ভাবছেন তখন বিষয়টি এমন হবে যে, এমন কিছু ম্যাসেজ নিয়ে তৈরি করুন যা ইমোশন বহন করে। 

উদাহরণ স্বরূপ ,ধরুন আপনার একটি ব্র্যান্ড ভয়েস আছে যা ক্যাজুয়াল এবং রিলাক্সড। আপনি সবসময় লাইট হার্টেড এবং হ্যাপি টোনে থাকেন কিন্তু যখন আপনি কোনো আনহ্যাপি কাস্টমার এর সাথে ডিল করতে যান আপনার টোন তখন কিছুটা সিরিয়াস হয়ে যায় কিন্তু তখন আপনি ক্যাজুয়াল এবং রিলাক্সড থাকেন। 

একটি ভালো মার্কেটিং ম্যাসেজ আপনাকে আপনার ব্র্যান্ড ভয়েস কে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে যা আপনার টোন এর সাথেও পরবর্তী তে এডজাস্ট করে থাকে। আপনার ব্র্যান্ড ভয়েস নির্ধারণে আপনাকে সহযোগিতা করার একটি সহজ উপায় হল, এটি এমন দেখাতে পারে,

“আমরা এই…,তবে এই নয়…” 

Repeat this phrase as many times as needed until you understand your brand voice. For example: 

“We’re formal, but not too serious.”

“We’re funny, but not sarcastic.”

“We’re sarcastic, but not crude.”

আপনার ব্র্যান্ডের জন্যে কোনটি বেস্ট ফিট তা নির্ধারণ করার পরে এটি আপনার প্রতিটি মার্কেটিং ম্যাসেজে ছড়িয়ে দিন। এতে করে আপনি যে রেজাল্টটি আশা করেছিলেন তা যদি ব্যাক না পান অথবা আপনার কাস্টমার যদি কমপ্লেইন করে থাকেন। তাহলে একটি সার্ভে লঞ্চ করুন তাদের জিজ্ঞেস করুন তারা কি ভাবছেন।

স্টেপ-৫ : মার্কেটিং ট্যাক্টিক্স তৈরি করুন

আপনি একটি সলিড ফাউন্ডেশন তৈরি করতে সময় স্পেন্ড করার পরে, এখনই সময় আপনার মার্কেটিং ট্যাক্টিক্স তৈরি করার। ট্যাক্টিক্স বিষয়টি এমন একটি স্ট্রাটেজি অ্যাকশন যা ইউজ করে আপনি খুব সহজেই আপনার প্রোডাক্ট প্রমোশন করতে পারবেন এবং এতে করে আপনার মার্কেটিং গোল গুলোকে আপনি আরও অনেক বেশি ইনফ্লুয়েন্স করতে পারবেন। এগুলি সাধারণত একটু হাই লেভেল এর আইডিয়াস জেনারেট করতে আপনাকে হেল্প করবে পাশাপাশি আপনি আপনার প্রোডাক্ট প্রমোশন এর জন্যে কি ধরণের কনটেন্ট তৈরি করবেন তার বিষয়েও হেল্প করে। 

আপনার মার্কেটিং স্ট্রাটির্জি তে নিচের উল্লেখিত যেন কোনো বা সবগুলো ট্যাক্টিক্স ইউজ করতে পারেন অথবা এমন কোনো ট্যাক্টিক্স ও আপনি সিলেক্ট করতে পারেন যা এই লিস্টে নেই কিন্তু আপনার বিজনেস এর জন্যে বেটার মনে হচ্ছে।

পেইড

পেইড ট্যাক্টিক্স ইউজের অনেকগুলো উপায় রয়েছে। এটা হতে পারে পিপিসি (পে পার ক্লিক) ক্যাম্পেইন অথবা সোশ্যাল মিডিয়া এডস, হতে পারে ওয়েবসাইট এডস অথবা যে কোনো টাইপের প্রিন্টেড এডস। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে –

  • ফেসবুক এডস
  • গুগল এডস 
  • রি-টার্গেটিং এডস

আর্নড

আর্নড ট্যাক্টিক্স গুলো ইমপ্লিমেন্ট হতে বেশ সময় নিবে কারণ এই বিষয়টি পুরোটাই অর্গানিক এবং এটি পুরোটাই নির্ভর করে অডিয়েন্স এর সাথে আপনার ব্র্যান্ড রিলেশনশিপ এবং আপনার প্রোভাইডকৃত কনটেন্ট এর উপর। যখন কেউ আপনার ব্রান্ডটিকে ট্যাগ করছে কোথাও অথবা সোশ্যাল মিডিয়াতে কোথাও আপনার ব্রান্ডটিকে মেনশন করছে অথবা কোনও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আপনার ব্র্যান্ড প্রোমোট করছে তখনই সাধারণত আর্নড কনটেন্ট এর বিষয়টি উঠে আসে। আপনি সাধারণত এমন কিছু কনটেন্ট আপনার অডিয়েন্স এর জন্যে তৈরি করতে চাইবেন যাতে খুব সহজেই এনগেজ হয় এবং শেয়ার করে। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • পডকাস্ট 
  • ব্লগপোস্ট 
  • সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট

ইনফ্লুয়েন্সার

অনলাইনে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং একটি দুর্দান্ত উপায়। এটলিস্ট শুরু করার জন্যে প্রথমে ছোট থেকে মাঝারি ফলোইং বেসড ইনফ্লুয়েন্সার সিলেক্ট করতে কিছুটা টাইম ইনভেস্ট করুন যারা তাদের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট এ আপনার প্রোডাক্ট রিভিউ করতে ইচ্ছুক হবে। এটি আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে কিছুটা গুঞ্জন তৈরি করবে এবং আপনার অডিয়েন্স এর কাছে আপনার সোশ্যাল ভ্যালু তৈরি করতে হেল্প করবে। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • তাদের ইন্সট্রাগ্রাম পোস্টে আপনার ব্র্যান্ড ট্যাগ করা 
  • হোস্টেড গিভওয়েজ 
  • স্পন্সর্ড ব্লগ পোস্ট

টেস্টিমোনিয়াল

আপনার ফিউচার কাস্টমারদের কাছে আপনার ব্র্যান্ড এর সোশ্যাল ভ্যালু তৈরি করার অন্যতম একটি উপায় হলো টেস্টিমোনিয়াল। আপনার প্রোডাক্ট রিভিউ,প্রোডাক্ট কেনার অভিজ্ঞতা অথবা আপনার কাস্টমার সার্ভিস এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনার ফিউচার কাস্টমাররা জানতে পছন্দ করেন, এটাই স্বাভাবিক। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • ফেসবুক রিভিউ 
  • ওয়েবসাইট রিভিউ 
  • গুগল রিভিউ 
  • যে কোনো প্রকার এডভোক্যাসি

রেফারেলস

রেফারেলস হতে পারে আর্নড, আবার হতে পারে পেইড। কিছু কোম্পানি তাদের অডিয়েন্সদের ইন্সেন্টিভ পে করে রিভিউ করার জন্যে উৎসাহ দিতে। নতুন অবস্থায় রেফারেলস কালেক্ট করার জন্যে এটা একটা বেস্ট ওয়ে। এরপর আস্তে আস্তে আপনার গ্রোও করা পাশাপাশি যখন আপনার গ্রাহকরা আপনার ব্র্যান্ডটিকে পছন্দ করতে শুরু করবেন তখন কোনো রকম ইনসেনটিভ ছাড়াই তারা আপনার রেফারেলস হিসাবে কাজ করবেন। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • আপনার প্রোডাক্টগুলোকে টার্গেট করে ব্লগ পোস্ট করা 
  • সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার 
  • কাস্টমার ফ্যান ব্যাচ অথবা ফ্যানস ওয়েবসাইট

এনগেজমেন্ট 

কাস্টমার এনগেজমেন্ট সবসময়ই আপনার মার্কেটিং ট্যাক্টিক্স এর সাথে কানেক্টেড থাকবেই। অডিয়েন্স সবসময় অনলাইনে একটি রিয়েল ব্র্যান্ড এর সাথে এনগেজ থাকতে চায় কিন্তু কোনো রোবট এর সাথে নাহ। আপনার অডিয়েন্স এর সাথে কানেক্ট থাকাটাই আপনাকে একটি রিয়েল এবং দীর্ঘমেয়াদি এনগেজমেন্ট এনে দিবে। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • সার্ভে
  • সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলোতে আপনার রেসপন্স 
  • অনলাইন চ্যাট ফর কাস্টমার সার্ভিস

কনটেস্ট

কনটেস্ট কাস্টমার এনগেজমেন্ট এর জন্য দুর্দান্ত, অন্যরকম একটি মার্কেটিং ট্যাক্টিক্স। এটি আপনার ব্রান্ডটিকে অডিয়েন্স এর কাছে খুব ইতিবাচক ভাবে রিপ্রেজেন্ট করে এবং আপনার একটি ছোট প্রাইজ গিভিং তাদের মধ্যে পজিটিভ রেজাল্ট ছড়িয়ে দিবে। কাস্টমার গিভওয়েস নিতে খুব পছন্দ করেন এবং আপনাকে অনলাইন ঘুরে দাঁড়াতে একটি খুব হেল্প করবে।  

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • ইন্সট্রাগ্রাম গিভওয়ে
  • ফেসবুক গিভওয়ে
  • অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতি ফলোয়ারদের এনকারেজ করতে ক্রস-প্ল্যাটফর্ম গিভওয়ে।

ব্লগিং

ব্লগিং এর দিন কি শেষ? মোটেও নাহ। একটি কোম্পানি ব্লগ সমসময় তার অডিয়েন্সদের বর্তমান ট্রেন্ডস এর বিষয়ে আপ টু ডেট থাকতে হেল্প করে এবং তাদের প্রয়োজনীয় কীওয়ার্ড এর মাধ্যমে অনলাইন র‍্যাঙ্কিং এর থাকার সুযোগ করে দেয়। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • ব্লগ পোস্ট 
  • ইনফোগ্রাফিক 
  • ভিডিও

সোশ্যাল মিডিয়া

প্রতিটি ইকমার্স সাইটের জন্যই সোশ্যাল মিডিয়া উপস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ! এখানে আপনার অডিয়েন্স বিল্ডআপ করতে হয়তো কিছুটা সময় লাগে কিন্তু খুব সহজেই আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একটি ভালো অডিয়েন্স খুঁজে বের করতে পারবেন। আপনাকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্রেটির্জি ক্রিয়েট করতে এবং সেখানে ইনক্লুড থাকবে আপনার প্রোডাক্ট ডিটেলস ,নতুন নতুন ডিজাইন, আপনার সেলস টার্গেট এবং আপনার অডিয়েন্স এর সাথে এন্গেজ থাকার একটি বেস্ট প্লেস হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • ভিডিও 
  • প্রোডাক্ট ইমেজ 
  • ব্লগ অথবা সেলস লিংক

ইমেইল

আপনার যদি কোনো ইমেইল স্ট্যাস্টির্জি এখনো না থাকে তাহলে আপনি আপনার অডিয়েন্সদের কাছ থেকে অনেক বড় একটি সেল হাতছাড়া করে ফেলবেন। আপনি একবার ইমেইল লিস্ট তৈরি করা শুরু করা শুরু করতে পারলেই, আপনি আপনার আপকামিং সেলস,হলিডে স্পেসিপিক ডিলস অথবা ডিজাইন এবং নতুন নতুন প্রোডাক্ট এর বিষয়ে জানানো শুরু করতে পারবেন। 

সম্ভাব্য কনটেন্ট টাইপ হতে পারে, যেমন –

  • উইকলি নিউজলেটার 
  • ব্লগ পোস্ট শেয়ার’
  • সেলস অথবা ইভেন্টস

স্টেপ-৬ : মার্কেটিং বাজেট তৈরি করুন

এখন পর্যন্ত আপনি বুঝতে পেরেছেন কোন মার্কেটিং ট্যাক্টিক্সটি আপনি ইউজ করবেন আপনার অডিয়েন্স গ্রো করার জন্যে,কোন প্রোডাক্টগুলো আপনার স্টোরে এভেইল্যাবল রাখবেন ,আপনার টার্গেট অডিয়েন্স কারা? তাহলে এখনই সময় মার্কেটিং বাজেট এ আপনাকে এনগেজ হওয়ার। 

শুরুতে আপনার বাজেট সেট করাটা মোটামুটি সহজ হবে আপনার জন্যে। সেক্ষেত্রে একটা স্প্রেডশীট ইউজ করতে পারেন যাতে আপনার বর্তমান এবং অপারেশনাল কস্টগুলো লিস্টে রাখতে পারবেন। এর মধ্যে আপনার ওয়েবসাইট হোস্টিং কস্ট, প্রফেশনাল ফী গুলো, সম্ভাব্য আউটসোর্সিং ফী গুলো ইনক্লুড করে রাখতে পারেন। আপনার বিজনেস রান করতে যা যা খরচ হচ্ছে তার একটি পূর্ণাজ্ঞ লিস্ট রাখুন। 

একবার বাজেট সেট করে খরচ করা শুরু করলে আপনি বুঝতে সক্ষম হবেন আপনার বাজেট কস্টিং সম্পর্কে। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে আপনার মার্কেটিং এফোর্টস এর জন্যে একটি রিয়েল বাজেট করতে আপনার জন্যে খুব সহজ হবে। এরপর আপনার জন্যে তৈরিকৃত কনটেন্টগুলো দিয়ে অর্গানিক ওয়ে তে আপনি শুরু করুন এবং বিজনেস গ্রো করবার সাথে সাথে আপনি আর্ন করা শুরু করবেন।  যখন আপনি একটি ভালো রেভিনিউ জেনারেট করতে পারবেন তখন আপনার আয়ের একটি অংশ দিয়ে আপনি পেইড এডস রান করার জন্যে বিনিয়োগ করতে পারেন অথবা মার্কেটিং এর জন্যে অন্যভাবে আউটসোর্সিং করতে পারেন।

স্টেপ-৭ : মার্কেটিং টাইমলাইন তৈরি করুন

নতুন বিজনেস মালিকদের মার্কেটিং এ ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো তারা কোনো মার্কেটিং টাইমলাইন বা ক্যালেন্ডার ইউজ করেন না। একটি মার্কেটিং টাইমলাইন আপনাকে পুরো বছর ধরে আপনার প্রজেক্ট,মার্কেটিং ইভেন্ট, ক্যাম্পেইন এবং সেল এর ট্র্যাক রাখতে সহযোগিতা করে। রেগুলার আপনার বিজনেস গ্রোথ যেমন বাড়ছে, ঠিক তেমনি আপনার টীম মেম্বারও বাড়ছে , এই পুরো বিষয়টিকে একটি পেইজ এ ধরে রাখতে মার্কেটিং টাইমলাইন আপনাকে হেল্প করবে। একটি টাইমলাইন তৈরির সহজ উপায় হ’ল গুগল শীট বা এক্সেল স্প্রেডশিট ব্যবহার করা। 

আপনি চাইলে এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন,

  • পুরো বছরের মাসগুলোকে সাপ্তাহিক ভাবে ডিভাইড করা। 
  • প্রতি মাসে আপনার সেল টার্গেট। 
  • আপনার অ্যাকচুয়াল সেল 
  • সিজনাল সেলস ইভেন্ট 
  • ছুটির দিনগুলো নিয়ে আপনার মার্কেটিং স্ট্রেটির্জি। 
  • ইভেন্টস 
  • কোম্পানি মাইলস্টোন

এটা প্রথমে কিছুটা জটিল মনে হতে পারে কিন্তু আপনি চাইলেই অনলাইনে অনেকগুলো ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি ফ্রী টেমপ্লেটস পেয়ে যাবেন ডাউনলোড করার জন্যে। আপনি সবকিছু আলাদাভাবে মেইনটেইন করার জন্যে পৃথক সোশ্যাল মিডিয়া ক্যালেন্ডার, প্রজেক্ট টাইমলাইনস এবং ইভেন্ট টাইমলাইনস ইউজ করতে পারেন এতে করে সবকিছু অর্গানাইজড ওয়েতে রান করতে পারেন।

স্টেপ-৮ : আপনার মার্কেটিং আরওআই (ROI) মাত্রা ঠিক করুন

আপনার মার্কেটিং স্ট্রেটির্জির লাস্ট স্টেপ হলো আপনার ইনভেস্টমেন্ট এর রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট পরিমাপ করা যা সংক্ষিপ্ত ভাবে (আরওআই) নামে পরিচিত। আপনার মার্কেটিং এফোর্টস এবং ঠিক ট্যাক্টিক্স অনুযায়ী আপনার বাজেট রান করছে কিনা তা এনসিউর হওয়ার বেস্ট ওয়ে হচ্ছে এটি। এটি মোটামুটি একটি সহজ ক্যালকুলেশন এবং আপনার মার্কেটিং বাজেট ট্র্যাক করার বেস্ট ওয়ে। 

সূত্রটি এমন দেখতে পারে –

Total revenue generated through your content – total cost to create your content = MROI

আপনার বিজনেস বাড়ার সাথে সাথে আপনার প্রোডাকশন কস্ট ও বাড়বে এবং তাই শুরু থেকেই বানানো আপনার প্রতিটি কনটেন্ট এর ট্র্যাক রাখা আপনার জন্যে মোস্ট ইম্পরট্যান্ট। 

এমাআরওআই এর দিকে নজর রাখার আরেকটি ওয়ে হলো টাইম স্টান্ডপয়েন্ট। আপনি যদি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে থাকেন এবং ০৪ ঘন্টা ইমেইল ক্যাম্পেইন করার মাধ্যমে ১টি লিড জেনারেট করে থাকেন ,অন্যদিকে যদি সেইম সময় খরচ করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ০৫ টি লিড জেনারেট করতে পারেন, তাহলে আপনার কনটেন্ট তৈরির পুরো ফোকাস হওয়া উচিত সোশ্যাল মিডিয়া ঘিরে। 


প্রো- টিপস -আপনার কোথায় একটি বড় ট্রাফিক আছে অলরেডি ট্র্যাক করার জন্যে সেটার দিকে নজর না দিয়ে যদি আপনি যদি এখন লিড গেইনিং অবস্থায় থাকেন সেখানে নজর দিন। আপনার প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম, ইমেইল টুলস , ওয়েবসাইট বিশ্লেষণ করুন কোথায় আপনার অডিয়েন্স আপনার স্টোর খুঁজছেন।

উপসংহার

একটি নতুন অনলাইন বিজনেস এর সফলভাবে আগানোর জন্যে একটি মার্কেটিং স্ট্রেটির্জি ক্রিয়েট করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি যদি নিজের বিজনেস নিয়ে প্যাশোনেট হোন এবং এটিকে যেকোনো মূল্যেতে বেশ বড় প্লাটফর্মে দেখতে চান একটি স্ট্রং মার্কেটিং স্ট্রেটির্জি তৈরি করার জন্যে আপনার অনেক চেষ্টা করার সময় এখনি। আপনার স্ট্রেটির্জি তৈরিতে যাতে একদমই সময় নষ্ট না হয় এবং যদি কোনো প্রব্লেম ফেস করেন প্রতিটা স্টেপ এর জন্যই অনলাইন এ অনেক রিসোর্স পাবেন। 

তাহলে দারুন সব প্রোডাক্ট সেল করতে প্রস্তুত আপনি? গিয়ারলঞ্চ এর সহায়তা নিন।  আপনার বিজনেস গ্রোআপ করার এখনই সময়।

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

SUPERCHARGE YOUR SHOPIFY STORE

আপনার শপিফাই স্টোরটিকে সুপারচার্জ করুন গিয়ারলঞ্চ অ্যাপ্ এড করুন এবং একটি ই-কমার্স বিজনেস পরিচালনার জন্য আপনার প্রয়োজনীয় সব কিছুর অ্যাক্সেস দিন  — হাই কোয়ালিটি পিওডি

Baby Onesie

বেবি ওয়ানজি বেস কস্ট     প্রোডাক্ট ইনফরমেশন      আর্ট ওয়ার্ক এন্ড মকআপ     সাইজ গাইড  বেস কস্ট Tier Monthly Unit sale Price