10 STRATEGIES TO GET YOUR FIRST ONLINE SALE IN 30 DAYS

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

৩০ দিনের মধ্যে প্রথম অনলাইন সেলস করার ১০ টি কৌশল

আপনার স্টোর রানিং আছে এবং আপনি আপনার ফার্স্ট সেল করতে প্রস্তুত। এখন আর কি করবেন ?

এখন আপনার প্রথম কাস্টমার পাওয়ার জন্য কাজ করার পালা এবং সঠিকভাবে আপনি আপনার মার্কেটিং স্ট্রাটের্জি করবেন। অনলাইনে এত প্রতিযোগিতা এবং শোরগোল এর মধ্যে এটি অপ্রতিরোধ্য হতে পারে। তবে, যেই স্টোরগুলো ট্র্যাফিক ড্রাইভিং এবং অডিয়েন্স বিল্ড এর জন্য উপযুক্ত সময় ব্যয় করছে তাদের  সফল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

৩০ দিনের মধ্যে আপনার প্রথম সেলস পেতে সহায়তা করার জন্য এখানে ১০ টি স্ট্রাটের্জি দেওয়া হয়েছে

১. একটি মার্কেটিং ক্যালেন্ডার  ক্রিয়েট করুন

প্রতিটি সফল ইকমার্স বিজনেস একটি পরিকল্পনা দিয়ে শুরু হয়। সেলস কোনো ম্যাজিক নয় যা আপনার কাছে পৌঁছে যাবে, আপনাকে সেলস এর জন্য মার্কেটিং করতে হবে আর স্ট্রাটার্জি নিয়ে  কাজ করতে হবে। একটি মার্কেটিং ক্যালেন্ডার সেট আপ করে আপনার ইমেইল, সোশ্যাল পোস্ট, সেলস স্ট্রাটের্জি এবং ক্যাম্পেইনগুলো পরিকল্পনা করার এটিই উপযুক্ত সময়। আপনি শুরুতে যত বেশি অর্গানাইজ হবেন, তত জলদি আপনি সাফল্য দেখতে পাবেন।

আপনি হাবস্পট বা কোশিডিউলে মতো সাইটে কোনো খরচ ছাড়াই  ক্যালেন্ডার টেম্পলেটগুলো পেতে পারেন। আপনাকে উচ্চ এবং নিম্ন স্তর উভয়ই নিয়েই ভাবতে হবে। আপনার প্রথম পদক্ষেপ হবে লক্ষ্য অর্জন। আপনি আরও সাকসেস অর্জনের জন্য আপনার স্ট্রাটের্জিগুলো এডজাস্ট  করলে আপনি কী অর্জন করতে আশাবাদী তা জানতে পারবেন। তারপর, আপনি কি ধরণের কন্টেন্ট দিবেন তা প্ল্যান করতে শুরু করুন এবং আরও খেয়াল রাখুন আপনার কন্টেন্ট ওভারঅল প্ল্যান এর কোথায় ফিট হবে। ফাইনালি আপনি প্রতিদিনের কন্টেন্ট এর একটি ডিজাইন করতে পারবেন এবং পোস্ট ক্রিয়েট করে, পোস্ট করা শুরু করতে পারবেন।

২. ব্লগ স্টার্ট করুন

ভবিষ্যৎ কাস্টমারদের এবং আরও কাস্টমারদের ট্রাস্ট অর্জন এর জন্য অন্যতম সেরা উপায় হলো ফ্রি ভ্যালুএবল কনটেন্ট তৈরী করা।  আপনি ব্লগ এর মাধ্যমে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এ বেশি করে শেয়ার দিতে পারবেন এবং অডিয়েন্সদের জানাতে পারবে যে আপনি আপনার কাস্টমারদের ভ্যালু দিচ্ছেন পাশাপাশি তাদের জন্য অসাধারণ প্রোডাক্টও সরবরাহ করছেন।

আপনি যদি আইডিয়াগুলো পাওয়ার জন্য স্ট্রাগল করে থাকেন তবে অন্য ব্র্যান্ডগুলি খুঁজুন যাদেকে আপনার ভালো লাগে, অথবা যারা আপনার ব্র্যান্ড এর কম্পিটিটর, এবং তাদের কাস্টমাররা তাদেরকে  জিজ্ঞাসা করছে এমন প্রশ্নগুলো খেয়াল করে দেখুন। তারপরে, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার জন্য আপনার ব্লগটি ব্যবহার করুন।

ইউনিক প্রোডাক্টগুলো লাইফস্টাইল সংক্রান্ত কি কি রিসোর্স রিপ্রেজেন্ট করে, এমন ইনফরমেশন বা টিপস দিতে আপনি নিজের ব্লগটি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার কাস্টমারদের বুঝুন এবং নিজের অ্যানালিটিক্স স্কিল ব্যবহার করে আপনার কাস্টমার কি ধরনের কনটেন্ট খুঁজছেন তা অনুসারে আপনার স্ট্রাটের্জি এডজাস্ট করুন।

৩. অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সার্সদের আইডেন্টিফাই করুন এবং স্যাম্পল সেন্ড করুন

আপনি যখন বিজনেস স্টার্ট করবেন, তখন স্ট্যান্ড আউট করা এবং সবার নজরে পড়া আপনার জন্য ডিফিকাল্ট হয়ে পরবে। নিউ বিজনেস হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া তে আকর্ষণ বজায় রাখার টপ এবং সাফল্যময় উপায় হলো ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং। তারা লার্জ অডিয়েন্সদের সাথে অসাধারণ এনগেজমেন্ট বজায় রাখে।  

আপনার প্রোডাক্ট এর  প্রতি আগ্রহী হতে পারে এমন ইনফ্লুয়েন্সারদের নিয়ে  রিসার্চ করতে কিছু সময় ব্যয় করুন। তারা হয়তো আপনার নিশের ফ্যান হতেও পারে। কয়েকশো ডলারের বিনিময়ে আপনি আপনার কয়েকটি প্রোডাক্ট তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে রিভিউ করার জন্য সেন্ড করতে পারেন এবং বড় এক্সপোজার পেতে পারেন। আরও বেশি সাফল্য অর্জনের নিশ্চিত হবেন, যে ইনফ্লুয়েন্সারদের সাথে আপনি পার্টনারশীপ করছেন তারা যেন ডিসকাউন্ট কোড এবং আপনার স্টোরের পারচেজ লিংক শেয়ার করে।

৪. একটি ইমেইল লিস্ট বিল্ডআপ করুন।

আপনার সমস্ত সেলস  এর  সাফল্যের জন্য শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় উপর নির্ভর করবেন না। সোশ্যাল মিডিয়া ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্নেস এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখলেও, আসল শক্তিটি আপনার ইমেইল লিস্ট এ  রয়েছে। আপনার ওয়েবসাইটে সাইন আপ প্রোভাইড করে শুরু করুন।


এমন কিছু কারণ তৈরী করুন যেন কাস্টমার সাইন আপ করে, সাইন আপ করার জন্য একটি ফ্রি রিসোর্স, একটি ডিসকাউন্ট কোড বা অন্য কোনও ইনসেনটিভ এর বিষয় কনসিডার করুন। সুবিধাটি হ’ল এখন আপনার কাস্টমার এবং ভবিষ্যতের কাস্টমারদের সরাসরি অ্যাক্সেস পাবেন। রিসার্চ  অনুসারে, বেশিরভাগ লোক দিনে কমপক্ষে ১৫ বার তাদের ইমেইল চেক করে!  তারা আপনার পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়াতে নাও দেখতে পারে, তবে তারা তাদের ইনবক্সে আপনার ইমেলই টি অবশ্যই দেখতে পাবে।

৫. এফিলিয়েট মার্কেটিং ট্রাই করুন।

 এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো যখন আপনি অন্য ব্যক্তি বা সাইটকে তাদের সাইট থেকে কোনও ট্র্যাফিক বা সেলস জেনারেট এর জন্য পার্সেন্টেজ দেন। মূলত, তারা অল্প কমিশনের বিনিময়ে আপনার প্রোডাক্টগুলির মার্কেটিং করতে সহায়তা করে। আপনি শেষে  ইউনিক কোডের সাথে একটি  এফিলিয়েট লিঙ্ক দিবেন যাতে করে আপনি সেলস ট্র্যাক করতে পারেন।

সাকসেস ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয় এবং অ্যাফিলিয়েট সাইটটি আপনার নিশ এর সাথে কতটা ভাল ফিট করে, আপনি ইনভেস্ট করতে কতটা ইচ্ছুক, এবং ইতিমধ্যে সাইটটিতে কতটা ট্র্যাফিক রয়েছে তার উপর নির্ভর করে। এফিলিয়েট মার্কেটিং স্ট্রাটের্জি নিয়ে এগিয়ে যাবার আগে  এফিলিয়েট মার্কেটিং বিষয়ে রিসার্চ করুন এবং প্রথমেই আপনার মার্কেটিং বাজেট এর  বিষয়টি কন্সিডারেশন এ রাখুন। 

৬. একটি ডিসকাউন্ট অফার করুন

সোশ্যাল প্রুফ এন্ড রিভিউগুলো ব্র্যান্ড এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলো প্রথমে পাওয়া কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়। নতুন বিজনেস এ ডিসকাউন্টগুলো পপুলার ইনসেনটিভ হিসেবে কাজ করে এবং এটি নতুন কাস্টমারদের পারচেজ এর বিষয়ে এনকারেজ করার একটি ভাল উপায়।


স্ল্যাশিং প্রাইসিংগুলো লংটার্ম স্ট্রাটের্জি নয় তবে শর্টটার্ম এ সহায়তা করতে পারে। আপনি ডিসকাউন্ট কোড সহ সেলস করার সম্ভাবনা ৮ গুণ বেশি। লোকজন ডিল এবং অর্থ সাশ্রয় করতে পছন্দ করে। কেননা ফার্স্ট ফিউ সেল এ দুটো কেই অফার করা যাক?

৭. সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ক্রিয়েট করুন

নিউ বিজনেস ওনার হিসাবে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলি সেটআপ করা গুরুত্বপূর্ণ।  সোশ্যাল মিডিয়া একমাত্র জায়গা নয় যেখানে আপনার কাস্টমার আপনাকে খুঁজে পাবেন, অনলাইনে প্রেজেন্ট থাকাও জরুরী।  আপনার অডিয়েন্সরা কোন প্ল্যাটফর্মগুলো সবচেয়ে বেশি ইউজ করেন তা রিসার্চ করতে কিছু সময় নিন এবং সেগুলি দিয়ে শুরু করুন । মনে রাখবেন, অনলাইনে আপনার সর্বত্র থাকার দরকার নেই। আপনার কেবল সেখানে প্রেজেন্ট হওয়া দরকার যেখানে আপনার অডিয়েন্স আপনাকে খুঁজে পাবেন।

আপনি যখন প্রতিটি প্রোফাইল সেট আপ করবেন, আপনার বিজনেজ এর ক্লিয়ার ডেসক্রিপশন দিতে ভুলবেন না এবং একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্র্যান্ড এক্সপিরিয়েন্স প্রোভাইড করতে কাজ করুন। আপনার লোগো এবং ভাষা এক হওয়া উচিত।  আপনার প্রোফাইলগুলিতে এমন কীওয়ার্ডগুলি ব্যবহার করুন যা আপনার সম্ভাব্য কাস্টমারদের আপনাকে খুঁজে পেতে সহায়তা করে।

৮. আপনার স্ট্যাটস দেখুন

আপনি যদি একটি বিক্রয়ও না করে থাকেন তবে আপনার প্রচেষ্টা কাজ করছে কি না তা আপনি কীভাবে জানবেন? অবশ্যই আপনার স্ট্যাটস দেখুন! প্রতিটি সোশ্যাল প্রোফাইল, পাশাপাশি আপনার ওয়েবসাইটটিতে আপনার স্ট্যাটসগুলি ট্র্যাক করার এবং আপনাকে ইম্পরট্যান্ট ইনফরম্যাশন দেয়ার ক্ষমতা আছে  কি  যেমনঃ

  • আপনার ভিজিটরদের লোকেশন
  • পোস্ট করবার জন্য পপুলার দিন
  • কোন কন্টেন্ট তা বেশি পারফর্ম  করছে
  •  তারা আপনার ওয়েবসাইটে কত সময়  স্পেন্ড করছে
  •  কোন ওয়েবসাইট পেজ সবচেয়ে ট্র্যাফিক পায়

আপনার স্ট্যাটগুলি আপনাকে আপনার অডিয়েন্স সম্পর্কে কী জানা দরকার তা বলবে। আমি যখন ফার্স্ট স্টার্ট করবেন তখন এগুলোকে প্রতি সপ্তাহে চেক করবেন এন্ড যেগুলো ভালো পারফর্ম করছে সেগুলোর সাথে এডজাস্ট করার চেষ্টা করুন।

৯. একটি গিভওয়ে পরিচালনা করুন

বিজনেজ এর প্রথম পর্যায়ে আপনাকে অনলাইনে রেপুটেশন বিল্ড এবং অনলাইন প্রেজেন্স তৈরি করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিজনেস এর বেশ কয়েকটি উপায়ের মধ্যে একটি মজার উপায় হলো গিভওয়ে।

গিভওয়ে তে আইটেম তখনি দিবেন যখন আপনার কাস্টমার আপনাকে তার পরিবর্তে কিছু দিবে। অর্থাৎ একটি পোস্ট এ লাইক দেয়া বা আপনাকে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এ ফলো করা এগুলো গিভওয়ে এন্ট্রি এর জন্য ইনক্লুড থাকতে পারে। এন্টার টু উইন এর জন্য আপনার অডিয়েন্সদের তাদের বন্ধুদের ট্যাগ করতে বলুন।আপনার রিকোয়ারমেন্ট সম্পর্কে আগে ক্লিয়ার হয়ে নিন  এবং গিভওয়ে  এর একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা দিন। বিজনেস শুরুর দিকে সাপ্তাহিক বা প্রতিদিনের গিভওয়ে দেওয়ার বিষয় টি কনসিডার করুন!

আপনার নিউ বিজনেস সম্পর্কে কিছু ওয়ার্ড বের করবার ইহা একটি ফানি ওয়ে!

১০. নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক

আপনার নেটওয়ার্ক শুরুতে ছোট হতে পারে তবে আপনার ব্র্যান্ডটি সত্যিকার অর্থে গ্রো করার একটি উপায় হ’ল আপনার নেটওয়ার্কের পার্টগুলোর কাছে পৌঁছানো  এবং ইম্প্রুভ করা। আপনার সোশ্যাল  প্ল্যাটফর্মগুলিতে আটকে থাকার দরকার নেই। অন্যান্য রেলিভেন্ট ব্লগ গুলো দেখুন এবং কমেন্ট  করুন। লিঙ্কডিন এ  রিচ করুন। বিজনেজ কার্ড ক্যারি করুন এবং আপনার নতুন বিজনেজ সম্পর্কে আপনার বন্ধুদের এবং পরিবারের সাথে কথা বলুন। তারা আপনার পেজ এ ফিডব্যাক এবং রিভিউ দিয়ে সোশ্যাল প্রুফ এর মাধ্যমে আপনার বিসনেজ গ্রো করতে সাহায্য করবে। আপনি যত বেশি লোক চিনবেন, আপনার নতুন বিজনেজ সম্পর্কে জানানো আরও সহজ হবে।

যেহুেতু এখন কিছু দুর্দান্ত স্ট্রাটির্জি আপনার পকেটে রয়েছে, এখন সেখান থেকে বের হয়ে সেলস শুরু করার সময় এসেছে!


নিশ্চিত না যে পরবর্তী কি? আমরা সাহায্য করতে পারি! গিয়ারলঞ্চের সাথে শুরু করুন, আমাদের বিস্তৃত লিস্ট এনজয় করুন এবং  আপনি আপনার স্টোরে এই প্রোডাক্টগুলো সেল করতে পারেন,  আপনার ইকমার্স বিজনেস শুরু করার বিষয়ে এখান থেকে আরও কিছু শিখুন।

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

Monthly Live about Facebook Marketing

Here we covered how to do Facebook marketing in effective ways which will drive more traffics and how you can raise the possibility to increase

1000 T-shirt Mockup

এখানে আপনারা পাচ্ছেন ১০০০ টিশার্ট-এর ফ্রি মকআপ! আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে পারবেন একদম ফ্রি-তে। তাই দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন