10 BEST TIPS TO WORK FROM HOME PRODUCTIVELY

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

১০ টি বেস্ট টিপস বাসায় বসে কাজ করে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য 

যারা বাড়ি থেকে কাজ করার (ডাব্লুএফএইচ) আনন্দ বুঝেন – আপনি ফ্রীল্যান্সার, সেলফ-ইমপ্লয়েড বা টেলিকমিউটিং যাই হন না কেন – এর সমস্যার সাথেও অবশ্যই পরিচিত হবেন। 

ডাব্লুএফএইচ-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনি কখন, কীভাবে এবং কোথায় কাজ করছেন তা নিয়ন্ত্রণের স্বাধীনতা। এইটা কোনো আশ্চর্যের বিষয় না যে রিসার্চ থেকে দেখা গিয়েছে যারা রিমোট ওয়ার্কার তারা অনেক বেশি খুশি, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং জব ছেড়ে দেয়ার সম্ভবনা ও কম দেখায়। 

তবে বাসায় কাজ করলে তা আপনার পার্সোনাল এবং প্রফেশনাল লাইফ এর বাউন্ডারি কমিয়ে দেয়। এইখানে দুটি কাজ  হতে পারে : আপনি প্রয়োজন এর বেশি কাজ করে ফেললেন বা আপনি বেশি কমফোর্টেবল হয়ে পড়লেন এবং আনপ্রোডাক্টিভ হয়ে গেলেন। 

তো আপনি উভয় পক্ষের ট্র্যাপিং এড়াতে কি করতে পারেন? ডাব্লুএফএইচ এ সাকসেস্ পওয়ার জন্য আপনাকে এমন অভ্যাস এবং স্পেস ক্রিয়েট করতে হবে যেন আপনি মনোযোগ দিতে পারেন। আমাদের  এই পার্ট এর কিছু বিষয়ে জ্ঞান রয়েছে, তাই এইখানে ১০ টি বেস্ট টিপস দেয়া হলো বাসায় বসে কাজ করার প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য। 

১. কাজের জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করুন। আপনার ল্যাপটপটি দিয়ে বিছানায় শুয়ে থাকা লোভনীয় হতে পারে তবে এটি একটি খারাপ অভ্যাসের শুরু। আমাদের ব্রেইন কয়েকটি পুনরাবৃত্তির পরে সহজেই অবজেক্ট এবং তাদের উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রিলেশন তৈরি করে নেয়। আপনি যখন নিজের বিছানা বা সোফার মতো জায়গা থেকে কাজ চালিয়ে যান, তখন দুটি নেগেটিভ জিনিস হতে পারে: আপনি কাজ করার সময় ঘুম চলে আসতে পারে বা আপনার বেডে আপনি আর ঘুমাতে পারবেন না। শারীরিকভাবে পৃথক একটি নির্ধারিত কাজের স্থান আপনাকে মানসিকভাবে “ওয়ার্ক মোডে” রাখতে সহায়তা করবে।

২. আপনার কাজের জায়গা পরিষ্কার রাখুন। আপনি অপরিষ্কার জায়গা দেখতে পারেন না বা কোনো টাস্ক নিয়ে গড়িমসি করছেন বলে পরিষ্কার করা শুরু করলেন যাই হোক না কেন রেজাল্ট একই রকম হবে; আপনি আপনার কাজ করা বাদ দিয়ে অন্য কিছু করছেন। এই ডিস্ট্রাকশনকে দূর করুন আপনার কাজের জায়গাকে পরিষ্কার রেখে। আপনি একটি অর্গানাইজড কাজ এর পরিবেশ পাচ্ছেন এইটা একটা বাড়তি সুবিধা আপনার জন্য-আর কাগজপত্র এবং নোট এর স্তুপ থেকে খোঁজার প্রয়োজন নেই !

৩. প্রোপার ড্রেস পড়ুন। আমরা যে পোশাক পরি তা আমাদের অনুভূতিকে ইফেক্ট করে। আপনি যদি আপনার দিনটি পাজামায় কাটিয়ে দেন তাহলে আপনার শ্লথ মোডে চলে যাওয়ার রিস্ক থেকে যাবে। রিসার্চ থেকে দেখা গিয়েছে যে প্রফেশনাল আউটফিট আপনাকে বেশি প্রোডাক্টিভ হতে এবং আপনার কাজের প্রতি অনুভূতি বাড়াতে হেল্প করে। 

৪. একটি সময়সূচী সেট করুন। ডাব্লুএফএইচ এর দিনগুলো আপনাকে ফ্লেক্সিবিলিটি দিবে কিন্তু একটি সময়সূচী সেট করা থাকলে তা আপনাকে বেশি প্রোডাক্টিভ এবং এফিসিয়েন্ট হতে হেল্প করবে। নির্দিষ্ট কাজগুলিকে একটি সময়সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন যাতে আপনি সময় নষ্ট না করেন বা অবসর ভাবে তা পার করে না ফেলেন।

যদি আপনি ভিন্ন টাইম জোনে থাকেন  তাহলে আপনার সময় যতোটা সম্ভব আপনার মেজরিটি টীম এর কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করুন এবং অনলাইনে রেস্পন্সিভ হওয়ার ট্রাই করুন। এইটা আপনার টাইম ম্যাক্সিমাইজ করতে আপনাকে হেল্প করবে এবং একটা লিমিট ও সেট হয়ে যাবে কখন একজন আরেকজন কে কাজের জন্য মেসেজ দিতে পারবেন।

৫. ব্রেক নেয়ার সময়সূচী করতে ভুলবেন না। এইটা আমাদের লাস্ট পোস্ট কাজের জীবনের ভারসাম্য তে আলোচনা করা হয়েছে।  দিনের কিছু সময় ব্রেক নিলে তা আপনাকে রিফ্রেশ করবে এবং স্বাস্থ্যকর স্ট্রেসের মাত্রা কমিয়ে দিবে। প্রতিদিন বিকালে ঘুমের সময়ের সুযোগ নিন এবং ব্যায়াম বা অন্য কাজ গুলো ওই সময় এর মধ্যে করে ফেলার জন্য একটি সময়সূচী করে ফেলুন। 

৬. একটি ভালো চেয়ার এর ওপর ইনভেস্ট করুন। বাসা থেকে কাজ করার একটি খারাপ দিক হলো আপনার বাসায় প্রোপার অফিস ফার্নিচার নাও থাকতে পারে। টেবিল বা ল্যাপটপ স্ট্যান্ড এইসব আইটেম এ কম্প্রোমাইজ করা গেলেও আপনার চেয়ার এর সাথে আপনার কম্প্রোমাইজ করা উচিত না। যদি আপনি প্রতিদিন বাসা থেকে কাজ করেন তাহলে আপনাকে অনেক ঘন্টা বসে কাটাতে হবে। বিভিন্ন ধরণের স্ট্যাডি থেকে দেখা গিয়েছে যে এরগনোমিক্স প্রোডাক্টিভিটি তে ইমপ্যাক্ট ফালায় এবং বেস্ট এরগনোমিক্স সল্যুশন প্রায়ই এইটা ইম্প্রোভ করে। অন্যদিকে খারাপ এরগনোমিক্স হতাশ এবং ক্লান্ত ওয়ার্কার এর দিকে নিয়ে যেতে পারে যারা তাদের কাজ ভালো ভাবে করেন না। 

৭. আপনার ফোন দূরে সরিয়ে রাখুন। রিসার্চ কনফার্ম করেছে কিন্তু আমরা তা আগে থেকেই জানি; সোশ্যাল মিডিয়া কাজে বাধা দেয়। আমাদের ব্রেইন মাল্টিটাস্কিং এ খুব একটা ভালো না এবং ম্যাসেজের একটি পিং শব্দ আমাদের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। 

৮. গড়িমসি করবেন না। আপনার সময়সূচীতে প্রতিদিনের একটি টু-ডু-লিস্ট করে নিন। এই লিস্টটি কে “মাস্ট ডু” লিস্ট এ রূপান্তরিত করুন। ৯০ পার্সেন্ট করার পর ছেড়ে দেয়া থেকে বিরত থাকুন। এইটা কাজ সম্পন্ন করার সাইকেলকে ভেঙ্গে দিবে এবং দেখা যাবে আস্তে আস্তে অনেক কাজ জমে গেছে তা একটা বড় প্রব্লেম ক্রিয়েট করবে ভবিষৎ এ। 

৯. কিছু আলো আসতে দিন। ন্যাচারাল লাইট আমাদের শরীল এর জন্য ভালো। আপনি যখন অফিসে কাজ করেন, ন্যাচারাল লাইট পাওয়া তখন একটি বিরল ঘটনা। বাসায় থেকে এই সুযোগটি কাজে লাগান এবং ন্যাচারাল লাইটকে আপনার ওয়ার্ক মোড ভালো করার জন্য ভেতরে আসতে দিন। 

১০. লগ অফ। আপনার পার্সোনাল এবং প্রফেশনাল জীবনের বাউন্ডারি ডিফাইন করতে পারার এ্যাবিলিটি কে লগ অফ বলে। ওই দিন এর জন্য আপনার কাজ শেষ হয়ে গেলে ওয়ার্ক অ্যাপ এবং চ্যাট থেকে আনপ্লাগ করুন। এইটাকে একটি ছোট রিচ্যুয়াল মনে করুন যেমন পেপার একত্র করা বা গুছিয়ে রাখা বা হাঁটতে যাওয়া। এইটা আপনার শরীরকে বুঝায় যে আজকের মতো কাজ শেষ। 

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

Monthly Live about Facebook Marketing

Here we covered how to do Facebook marketing in effective ways which will drive more traffics and how you can raise the possibility to increase

1000 T-shirt Mockup

এখানে আপনারা পাচ্ছেন ১০০০ টিশার্ট-এর ফ্রি মকআপ! আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে পারবেন একদম ফ্রি-তে। তাই দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন