How to Apply for Passport & EBL Aqua MasterCard

টপিকঃ কার্ড নেই তাই এড দিতে পারতেছিনা। পাসপোর্ট কিভাবে পাব?

আমাদের অনেকের কাছে কার্ড নেই, বা পেয়নিয়ার কার্ড থাকলে ও তা পেয়েমেন্ট মেথড হিসেবে ফেইজবুক নিচ্ছে না। বিকল্প নিসেবে আমরা এখন EBL একুয়া কার্ড ব্যবহার করতে পারি এবং তার সাথে পেয়নিয়ার ও এড করতে পারি (যদি আমরা পূর্বে প্রাইমারী পেমেন্ট মেথড হিসেবে EBL Acua এড করি) আজকের পোস্টে লিখব কিভাবে একুয়া কার্ড পাব এবং এটার অনলাইন ট্রানজেকশন কিভাবে এনেবল করব।

কার্ডটি পেতে কি কি লাগবে?
১/ ভোটার আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি (সত্যায়িত না হলেও চলবে)
২/ ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
৩/ আপনার পাসপোর্ট (ডলার এনডোর্সমেন্টের জন্য)
৪/ কার্ড ফি ৫০০ টাকা+ভ্যাট ৭৫ টাকা

যেভাবে আবেদন ও কার্ডে রিচার্জ করবেনঃ
১/ প্রথমে আপনার নিকটস্থ Estern Bank Limited এর শাখায় গিয়ে কার্ড ডিপার্টমেন্টে যোগাযোগ করুন। আপনাকে বেশ কয়েকটি ফর্ম পূরন করতে হবে। দেখে নিন আপনার পূরনকৃত ফর্ম গুলোর মধ্যে E-commerce Enrollment Form টি আছে কি না। না থাকলে ওনাদের কাছ থেকে ফর্মটি নিয়ে পূরন করে নিন। অতঃপর আপনার ছবি, ভোটার আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি সহ ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে ৫৭৫ টাকা জমা দিয়ে পুনরায় কার্ড ডিপার্টমেন্টে এসে সব কাগজগুলো জমা দিন। সবকিছু জমা নিয়ে সাথে সাথেই আপনাকে কার্ডটি প্রদান করা হবে। (বিঃদ্রঃ- এই দিন আপনার পাসপোর্টের কোন প্রয়োজন নেই)

২/ কাগজ-পত্র জমা দেওয়ার পর সেগুলোর verification এর জন্য প্রায় সপ্তাহ খানেক লেগে যায়। ভেরিফিকেশান হয়ে গেলে আপনি আপনার ফোনে সাধারনত মেসেজ পাবেন, যদি না পান তবে ১ সপ্তাহ পর ১৬২৩০ নম্বরে কাস্টোমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন। যদি মেসেজ পেয়ে থাকেন তবুও কাস্টোমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন। কারনটা বলছি।

৩/ মেসেজ আসলে বা কাস্টোমার কেয়ার ভেরিফিকেশান কনফার্ম করলে কাস্টোমার কেয়ার প্রতিনিধিকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করুন E-commerce Enrollment Form টি ভেরিফাই হয়েছে কিনা। যদি হয়ে থাকে তো ভালো কথা আর না হয়ে থাকলে বাংকে গিয়ে আবার ফর্মটি পূরন করতে হবে। তবে শুধুমাত্র এই ফর্মটি ফিলাপ করার জন্যই যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। সাথে করে পাসপোর্ট আর যত টাকা রিচার্জ করতে চান তা সাথে করে নিয়ে যান।

৪/ এবার বাংকে গিয়ে আবার কার্ড ডিপার্টমেন্টে যান এবং সেখান থেকে আপনার পাসপোর্টে এন্ডোর্স করিয়ে নিন। (বিঃদ্রঃ- এন্ডোর্সমেন্টের লিমিট- সার্কে ৫,০০০ USD আর নন-সার্কে ৭,০০০ USD)। আপনি আপনার প্রয়োজন মত এন্ডোর্স করিয়ে নিন। যদি কম করান তবে সমস্যা নেই, পরে বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

৫/ কার্ডে ডলার রিচার্জের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডিপোজিট স্লিপের ডলার পার্টে টাকার পরিমান উল্লেখ করুন। আবার সতর্কতার জন্য ক্যাশে জমা দেওয়ার সময় টাকা গ্রহনকারী ব্যাক্তিকে আপনি কার্ডের ডলার পার্টে টাকা রিচার্জ করতে চাচ্ছেন তা উল্লেখ করুন।
(বিঃদ্রঃ- স্বভাবতই ডলারের মূল্য একেক দিন একেক রকম থাকে। )

৬/ সবশেষে অবশ্যই আপনার প্রথমবার ট্রাঞ্জেকশানের পূর্বে পুনরায় কাস্টোমার কেয়ারে কল করে আপনার কার্ডের অনলাইন পার্টটি ওপেন করে দিতে অনুরোধ করুন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সাথে সাথেই আপনি অনলাইনে লেনদেন শুরু করতে পারবেন। সব Master Card এর মতই এই কার্ডের মেয়াদ ৩ বছর।

এবার আসি পাসপোর্ট প্রসঙ্গে, আমাদের অনেকের পাসপোর্ট নেই, পাসপোর্ট পেতে কি কি করতে হবে তা নিয়ে কিছু নির্দেশনা বর্ণনা করছি

১ম ধাপ : টাকা জমা
অনলাইনে পাসপোর্ট করতে হলে প্রথমে টাকা জমা দিতে হবে। কেননা অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেওয়ার তারিখ এবং জমা দানের রিসিটের নম্বর উল্লেখ করার প্রয়োজন হয়। তাই ফর্ম পূরণের আগে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩ হাজার টাকা ( ভ্যাট সহ ৩৪৫০টাকা) এবং জরুরি পাসপোর্ট করতে হলে তার ফি ৬ হাজার টাকা (ব্যাট সহ ৬৯০০টাকা)। রেগুলার ফিতে পাসপোর্ট পেতে সময় লাগবে এক মাস। জরুরিভিত্তিতে করতে চাইল ১৫ দিনের মত সময় লাগবে। ( টাকা জমার শস্লিপে আপনার নামের বানান ঠিক আছে কিনা দেখে নিবেন)

২য় ধাপ : অনলাইনে ফরমপূরণ
আবেদনের ওয়েবসাইট http://www.passport.gov.bd/
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। খুব মনোযোগ দিয়ে অনলাইনের ফরম পূরণ করতে হবে। যেন কোনো ভুল ত্রুটি না হয়। অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমে পাসপোর্ট অফিসের এ সাইটে যেতে হবে।
তারপর ‘I have read the above information and the relevant guidance notes’ টিক চিহ্ন দিয়ে ‘continue to online enrollment’ এ ক্লিক করতে হবে।
আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি- যেমন : আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম। এই নামগুলো যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেট কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একই হয়। কোনো তথ্য ভুল হলে পাসপোর্টে হতে সমস্যা হবে।
মেইল অ্যাড্রেস ও মোবাইল নম্বার দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই যেটি ব্যবহৃত হচ্ছে সেটি দেয়া উচিত।
টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নম্বর দিতে হবে। পাসপোর্ট টাইপ সিলেক্ট করতে হবে ‘ordinary’। যে অংশগুলো লাল স্টার মার্ক দেয়া রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
Delivery Type অংশে ৩০ দিনের জন্য হলে Regular এবং ১৫ দিনের জন্য হলে Express সিলেক্ট করতে হবে।
সম্পূর্ণ ফরমটি পূরণ হলে পুনরায় এটি চেক করতে হবে। সব তথ্য টিক আছে কি না, তা যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।
সবশেষে পূরণ করা ফরমটি সাবমিট করতে হবে। সফলভাবে সাবমিট করা হলে পূরণ করা ফরমের একটি পিডিএফ কপি যে ই-মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে ফরম পূরণ করা হয়েছে, সেখানে চলে আসবে।
৩য় ধাপ : ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন
এবার মেইলে আসা পিডিএফ কপির ২ কপি কালার প্রিন্ট করতে হবে। এতে আবেদনকারীর স্বাক্ষর করার স্থনে সই করতে হবে। এবার নিজের চার কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোনো প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে। পরিচিত কাউকে দিয়ে সত্যায়ন করালে ভাল। কারণ ওই কর্মকর্তার নাম, যোগাযোগ ও ফোন নম্বর এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর ফরমে লিখতে হয়।
৪র্থ ধাপ : পুরো ফরম রি-চেক
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফরমের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটিও প্রিন্ট করা ফরমটির সঙ্গে যুক্ত করে দিতে হবে। শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করলে অবশ্যই স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি সত্যয়িত করে ফরমের সঙ্গে যুক্ত করতে দিতে হবে। এসব ধাপ শেষ করলে ফর্মটি জমা দেয়ার জন্য প্রস্তুত।
৫ম ধাপ : ফরম জমা এবং ছবি তোলা
অনলাইনে ফর্ম পূরণের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে ফর্মের প্রিন্ট কপি, সত্যায়িত ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে যেতে হবে পাসপোর্ট অফিসে।
পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় অবশ্যই সাদা পোশাক পরবেন না। সকালের দিকে পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভালো হয়। তখন লাইনে ভিড় কম থাকে। সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে ঢুকতে হবে। সেখানে দায়িত্বরত সেনা সদস্যকে জিজ্ঞেস করুণ কোন রুমে যেতে হবে। সাইন শেষে জানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যেতে হবে।
এরপর নির্দিষ্ট রুমে গিয়ে সিরিয়াল আসলে ছবি তোলার জন্য ডাক পড়বে। ছবি তোলার পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে। এবার পাসপোর্ট রিসিভের একটা রিসিট দেয়া হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫ দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন।
নির্ধারিত দিনে রিসিভটি নিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

Posted By: Atiqur Rahman‎

0
Shares
Santono Singha Shamrat
 

Click Here to Leave a Comment Below 0 comments

Leave a Reply: